৩য় বিশ্বযুদ্ধ ও ইমাম মাহদী (আঃ) এবং গাজওয়া-ই-হিন্দ।

প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মৃত্যুর পর তুর্কীতে ধ্বংস এবং ৩য় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হবে…..ইসরায়েল ফিলিস্তিন এলাকায় তার অপারেশন বৃদ্ধি করে এবং এতে দাজ্জালের জন্য একটি দুর্গ নির্মাণ করে…..আমেরিকা সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলকে সমর্থন করে এবং তাদের বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে…..তারপর হঠাৎ করে আমেরিকা প্রকাশ্যে লাফ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে আশে এবং ইসরায়েল ও অন্যান্য জোটের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং রাশিয়ার দলের সাথে যুদ্ধ শুরু করে। এসব দেখার পর রাশিয়াও লাফ দেয় এবং তার মিত্ররা সমর্থন করে এবং এইভাবে ৩য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধ বাড়তে থাকে। আমেরিকা, রাশিয়া ও তাদের মিত্রদের এই যুদ্ধের কারণে বৃহৎ পরিমাণ মুসলমানরা মরতে শুরু করে। কেউ তাদের জন্য কিছুই করেনি। বাদামী রঙের বিল্ডিংয়ের (দাজ্জালের ৩য় মন্দির) বিস্ফোরণের কারণে একটি আতঙ্কজনক ধূলার ঝড় শুরু হয়, ধূলার ঝড়ে ঢেকে যাবে মধ্যপ্রাচ্য, হাজার হাজার মোসলমানের মৃত্যু, সূর্যের আলো পৃথিবীতে পরতে পারে না…..পাকিস্তান ভারতের সকল এলাকা দখল করে এবং বাংলাদেশ, আফগানিস্তানও পাকিস্তানের একটা অংশ হয়…..এই যুদ্ধে মুসলিমরা হত্যা করবেনা কোন নারী, শিশু, বৃদ্ধলোক, নিরস্র মানুষ ও যারা শান্তি স্থাপন করতে চায়।

You may also like

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসের একটি স্বপ্নে আমি দেখি আল্লাহ্ বলেছেন- “কাসীম, যতক্ষণ পর্যন্ত মুসলমানরা বিশ্বাস করবেনা যে, তোমার স্বপ্নগুলো সম্পূর্ণ সত্য এবং সবকিছু সঠিকভাবে ঘটতে যাচ্ছে, যেভাবে আমি তোমাকে স্বপ্নের মধ্যে বলেছি। ততক্ষণ [...]
৩য় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতেই পাকিস্তানকে “তোরা বোরা” হিসেবে তৈরি করার চেষ্টা করা হবে। পাকিস্তান থেকে সকল প্রকারের শিরক এবং শির্কের সকল রূপগুলোকে ধ্বংস করা হবে তারপর আল্লাহ্ মুসলিমদেরকে ৩০০০ কালো জঙ্গি বিমান দ্বারা সাহায্য করবেন। এই দেখে সারা বিশ্ব [...]
.....কিন্তু আল্লাহ্‌ আমাকে বলেন, কাসীম, চিন্তা করোনা, আমি তোমার সাথে আছি, কেউ তোমাকে থামাতে পারবে না এবং আমি তোমাকে সাহায্য করব। তারপর আল্লাহ্‌ আমাকে সাহায্য করেন এবং সাধারণ মুসলিমরা আমার কথা বিশ্বাস করা শুরু করে। তারপর এই সংবাদ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে [...]
1236
Page 1 of 6

1 thought on “৩য় বিশ্বযুদ্ধ ও ইমাম মাহদী (আঃ) এবং গাজওয়া-ই-হিন্দ।”

Leave a Reply